নিজের সঙ্গীর প্রেমিক বা প্রেমিকা হওয়ার আগে ভালো বন্ধু হয়ে উঠুন । শুনতে আন-রোমেন্টিক মনে হলেও এটি সম্পর্ককে করবে সবচেয়ে শক্তিশালী ।
ছোট-খাটো ভালো কাজ কিংবা সাহায্যেও তার প্রশংসা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে ভুলবেন না । এতে একে-অপরের প্রতি শ্রদ্ধা বাড়ে এবং সম্পর্ক দৃঢ় হয় ।
একে অপরের সঙ্গে সময় কাটানো এবং একে অপরের কথা মন দিয়ে শোনাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ । আপনি আপনার ভালোবাসার মানুষটির কথা শুনলেন না বা শুনতে চাইলেন না, এতে করে তিনি ভাবতে পারেন আপনি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না ।
যে কোনো বিষয়ে একে অপরকে দোষ দেওয়ার অভ্যাস পরিত্যাগ করুন । আপনার সঙ্গী যদি কোনো ভুল করে ফেলে সেটাকে শুধরে দেওয়ার চেষ্টা করুন । তবে সেটাও খুব সচেতনভাবে ।
সব সময় উপহার দেওয়ার জন্য উপলক্ষের প্রয়োজন হয় না । যেকোনো কারণেই উপহার দেওয়া যায় । সঙ্গীকে হঠাৎ করেই একটা উপহার দিয়ে চমকে দিন। দেখবেন সে কতটা খুশি হয় । এটা আপনাদের সম্পর্কের মাঝে ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি করবে ।
একে অপরের ওপর খবরদারি না করাই ভালো । একে অপরের প্রতিটি বিষয়ের খোঁজখবর রাখুন কারণ এটি দায়িত্বের মধ্যে পড়ে তবে অযথা খবরদারি এড়িয়ে চলুন। এটি বিরক্তির পর্যায়ে তখনই পড়ে, যখন আপনি অযথাই তার ওপর খবরদারি করতে যান ।
অকারণে একজনের সঙ্গে অন্যজনের তুলনা না করাই ভালো । যেকোনো ভালো কাজের জন্য এক অপরকে বাহবা দিন । অন্য কারও সঙ্গে তুলনা করে আপনার সঙ্গীর মানসিকতাকে আঘাত করবেন না ।
এর আগেও হয়তো আপনি অন্য কোনো সম্পর্ক জড়িত ছিলেন । সে কথা মনে করে কথায় কথায় পুরনো কথা না তোলাই ভালো । এ অভ্যাসটি আপনার বর্তমান সম্পর্কের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর । অতীতের সম্পর্ক ভুলে বর্তমান সম্পর্ককে গুরুত্ব দিন ।
রাগের মাথায় কিছু বলে ফেলা খুব সোজা । পরে সেই কথা নিয়ে অনুশোচনার শেষ থাকে না । কিছু বলার আগে কয়েক মুহূর্ত সময় নিন । একটু ভাবুন । নিজের চিন্তা-ভাবনাগুলেঅকে জড়ো করুন এবং শেষবারের জন্য নিজেকে প্রশ্ন করুন, আসলেই আপনি কথাটা বলবেন কি-না!